তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩:২৭, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২০:৫২, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
ছবি: সংগৃহীত
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কাছে এখন ইউটিউব শর্টস দ্রুত আয়ের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম। অবশ্য, কেবল ভিডিও আপলোড নয়, ইউটিউবের নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হয়। সেক্ষেত্রে সঠিকভাবে শর্টস মোনিটাইজেশন চালু করতে হয়।
এর প্রথম শর্তই হলো ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে যুক্ত হওয়া। যার জন্য প্রয়োজন কমপক্ষে ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার এবং গত ৯০ দিনে ১ কোটি শর্টস ভিউ। মানে, সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর পাশাপাশি আপনার শর্টস নিয়মিত ভাইরাল হওয়াটাও জরুরি।
তবে, ওয়াইপিপিতে যুক্ত হওয়ার পরেও আয় তৎক্ষণাৎ শুরু হয় না। আলাদাভাবে আপনাকে শর্টস মনিটাইজেশন মডিউল সক্রিয় করতে হয়। এই মডিউল চালুর পর যে ভিউ আসবে সেটিই আপনার রেভিনিউ হিসেবে গণ্য হবে। এর আগে পাওয়া কোনো ভিউকে ইউটিউব আয় হিসেবে বিবেচনা করে না। এই নিয়ম ইউটিউব বিজ্ঞাপন আয় ও ইউটিউব প্রিমিয়াম উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
ইউটিউব শর্টসে আয় পেতে হলে ভিডিও অবশ্যই মৌলিক হতে হবে। অন্য প্ল্যাটফর্ম থেকে ভিডিও কপি করে দেওয়া, বা কনটেন্ট চুরি করা বা ভিউ বট ব্যবহার করার মতো কাজ করলে আয় তো আসবেই না, উল্টো আপনার চ্যানেলই ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ ছাড়া, ভিডিওতে সংগীত ব্যবহার করলে আয়ের নির্দিষ্ট অংশ শিল্পী ও মিউজিক লাইসেন্সের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। ফলে, লাইসেন্স ফ্রি বা নিজস্ব সাউন্ড ব্যবহার করাই উত্তম।
ইউটিউট শর্টস অ্যাডস থেকে পাওয়া মোট অর্থ প্রথমে একটি ক্রিয়েটর পুলে জমা হয়। এরপর প্রতিটি ক্রিয়েটরকে তার মোট ভিউয়ের অনুপাতে অংশ দেওয়া হয়। এখানে মোট আয়ের ৪৫ শতাংশ সরাসরি ক্রিয়েটর পান। ভিডিওতে গান ব্যবহার করা থাকলে লাইসেন্স খরচ কেটে নেওয়া হয়। একইভাবে ইউটিউব প্রিমিয়াম থেকেও ক্রিয়েটররা ৪৫ শতাংশ রেভিনিউ পান।
ফলে, ইউটিউব শর্টস থেকে আয় পুরোপুরি নির্ভর করে আপনার কনটেন্ট কতটা মৌলিক, কতটা ভিউ পাচ্ছে এবং কতটা এনগেজমেন্ট তৈরি করছে তার ওপর। মানসম্পন্ন কনটেন্ট নিয়ম মেনে ধারাবাহিকভাবে তৈরি করলে শর্টস হতে পারে আপনার একটি ভালো আয়ের উৎস। সূত্র: এবিপি আনন্দ