তাপমাত্রা নেমেছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে 

চুয়াডাঙ্গায় হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

চুয়াডাঙ্গায় সংবাদদাতা

প্রকাশ: ২১:০৮, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গায় হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা নেমেছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে 

চলতি মৌসুমে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে তাপমাত্রা নেমে যাওয়ায় বিপর্যস্ত চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসী। জেলাটিতে একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রিরও বেশি কমে যাওয়ায় হাড় কাঁপানো শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে জন-জীবন। মাঝারি  এ শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন অসহায়-ছিন্নমূল এবং  দিন আনা দিন খাওয়া মানুষজন।

এদিকে, তীব্র ঠাণ্ডায় শীতজনিত রোগীর সংখ্যা চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে বেড়েই চলেছে। নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডাজনিত জ্বর ও ডায়রিয়ায়সহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষজন, যার ভেতর শিশু ও বয়োবৃদ্ধরাই বেশি। 

আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল নয়টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন  ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মাঝারি এ শৈত্যপ্রবাহ আরও দু’একদিন অব্যাহত থাকতে পারে। চলতি শীত মৌসুমে এটিই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে মঙ্গলবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  

জেলাটিতে ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা ও হিমশীতল বাতাস বইছে। ফলে, রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা থাকছে। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হতে চাচ্ছে না। তবে জীবিকার তাগিদে ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে কাজে বের হতে হচ্ছে ‘দিন আনি দিন খায়’ খেটে খাওয়া মানুষদের। 

স্থানীয় ভ্যানচালক আনিসুর রহমান বলেন, ঠাণ্ডা বাতাস ও কুয়াশায় একদিকে বাইরে বের হওয়া কষ্টকর। অপরদিকে, রাস্তা-ঘাটে লোকজন কম হওয়ায় কাজও বেশি পাচ্ছি না।

তিনি আরও বলেন, একদিন কাজ না করলে সংসার চলে না। তাই প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যেও কাজে বের হয়েছি।  

Sara

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন