ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দরে ৩ মাস ধরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ: বিপাকে শ্রমিকরা

নিউজ ডেক্স

প্রকাশ: ১৮:৪৮, ২৫ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৮:৪৯, ২৫ জুলাই ২০২৬

ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দরে ৩ মাস ধরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ: বিপাকে শ্রমিকরা

ছবি সংগৃহীত

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার একমাত্র ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দরে গত তিন মাস ধরে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

ভারতীয় অংশে কাঁচা ও ভাঙা সড়ক, সীমান্ত এলাকার নানা প্রতিবন্ধকতা এবং পাথরের সমপরিমাণ মাটির ওপর অতিরিক্ত শুল্ক ও চার্জ আরোপের কারণে ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে বাণিজ্য বন্ধ রেখেছেন। দীর্ঘদিনের এই স্থবিরতায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন বন্দরের প্রায় আট হাজার শ্রমজীবী মানুষ।

ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেঁষা এই সীমান্ত বন্দর দিয়ে ৩৪টি পণ্য আমদানির সুযোগ থাকলেও কার্যত বন্দরটি সম্পূর্ণ পাথর আমদানিনির্ভর। ভারত থেকে আসা এই পাথর দেশের উত্তরাঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকা্লে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বন্দর সচল থাকলে প্রতিদিন পাথর ভাঙা, পরিবহন, ট্রাক লোড-আনলোড ও স্থানীয় রেস্তোরাঁ মিলে প্রায় আট হাজার শ্রমিক জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। কিন্তু টানা তিন মাস পাথর আমদানি বন্ধ থাকায় পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন আয় বন্ধ থাকায় শ্রমিক ও পরিবহন কর্মীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুর্দশায় পড়েছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে লোকাল কাস্টমস (এলসি) স্টেশন হিসেবে চালু হওয়া সীমান্ত কেন্দ্রটিকে ২০১৫ সালে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দরে রূপ দেওয়া হয়। সমপ্রতি যাত্রী পারাপার ও বাণিজ্যের প্রসারে প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক ইমিগ্রেশন অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। তবে বিশাল বিনিয়োগ সত্ত্বেও বাণিজ্যিক অচলাবস্থা না কাটায় এর কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না।

Sara

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন