শেরপুরে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত পানিবন্দি দুই শতাধিক পরিবার!

নিউজ ডেক্স

প্রকাশ: ২১:১৪, ২০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২১:১৫, ২০ জুলাই ২০২৬

শেরপুরে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত পানিবন্দি দুই শতাধিক পরিবার!

ছবি সংগৃহীত

শেরপুরে টানা ভারী বর্ষণ ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ঝিনাইগাতি ও নালিতাবাড়ী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে ২০ জুলাই সোমবার সকাল থেকে পানি বৃদ্ধির ফলে নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালি নদীর পানি বিপদসীমার ৩২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বৃদ্ধি পাচ্ছে ভোগাই ও মহারশি নদীর পানি। দ্রুত পানি বৃদ্ধির ফলে নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ও যোগানীয়া ইউনিয়নের ১০ থেকে ১২টি গ্রামের পানিবন্দি হয়ে পড়েছে দুই শতাধিক পরিবারের কয়েক হাজার মানুষ। চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদ সীমানার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শেরপুর-গাজিরখামার-নালিতাবাড়ী সড়কের বালুঘাটা গোল্লার পাড় এলাকায় পাকা সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহন। ইতিপূর্বের গত এক সপ্তাহ আগে ঢলের পানিতে ওই সড়কটির প্রায় ৩০০ মিটার সড়ক বিধ্বস্ত হয়।

এছাড়া পানি বৃদ্ধির ফলে ঝিনাইগাতি সদর বাজারে ভোগান্তি বেড়েছে ব্যবসায়ীদের। সাধারণ মানুষ পানি ভেস্তে চলাচল করছে। পানির তীব্র স্রোতে ভেসে গেছে কয়েকটি মাছের ঘের, পানির নিচে তলিয়ে গেছে গ্রীষ্মকালীন সবজি খেত ও সদ্য রোপণকৃত আমনের বীজতলা।  বন্যাকবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট। পাশাপাশি পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ভেসে যেতে পারে কলসপাড় ইউনিয়নের প্রায় ৩ শতাধিক মাছের ঘের এবং বিশটিরও অধিক মুরগির খামার। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতি বছর তারা এই আকস্মিক বন্যার সম্মুখীন হন। কারণ হিসেবে তারা জানান, নদীর নাব্য সংকট এবং চারটি কালভার্টের মুখ বন্ধ করে প্রভাবশালীদের বাড়িঘর নির্মাণ ও মাছ চাষ।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছেন তারা। এ ছাড়া বন্যার্ত পরিবারের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে চালসহ শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Sara

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন