নিউজ ডেক্স
প্রকাশ: ২০:০৯, ২৫ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২০:০৯, ২৫ জুলাই ২০২৬
ছবি সংগৃহীত
সদ্য শেষ হওয়া ফিফা বিশ্বকাপ নানা কারণে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তেমন এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়াম ম্যাচে।
লাল কার্ড খরায় এক ম্যাচ নিষিদ্ধ হয় সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের তারকা স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগান। তবে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ফোনেরই বালোগানের নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত হয়। ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।
ফিফার এমন কাণ্ডে সমালোচনার ঝড় উঠে গোটা বিশ্বে।
বেলজিয়ামও এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে। এর কিছুদিন পর মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কোয়ার ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কাছে বিষয়টির তদন্ত দাবি করে।
তবে আইওসি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত করবে না বলে নিশ্চিত করেছে।
আইওসির এক মুখপাত্র জানান, অভিযোগটি মূলত ফিফার সিদ্ধান্ত ও অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থা সম্পর্কিত হওয়ায় আইওসির নৈতিকতা কমিশনের এ বিষয়ে তদন্ত করার এখতিয়ার নেই।
মুখপাত্র বলেন, ‘আইওসি নৈতিকতা কমিশন ফেয়ারস্কোয়ারের অভিযোগটি গভীরভাবে পর্যালোচনা করেছে। অলিম্পিক সনদ অনুযায়ী, প্রতিটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ফেডারেশন তাদের শাসনব্যবস্থা ও কার্যক্রমে স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত। আন্তর্জাতিক ফেডারেশন এবং তাদের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে আইওসি নৈতিকতা বিধির প্রয়োগ কেবল আইওসির সঙ্গে তাদের সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।’
তিনি আরো বলেন, ‘অভিযোগটি ফিফা সভাপতিকে ঘিরে। আন্তর্জাতিক ফেডারেশনের নিজস্ব শাসন, ব্যবস্থাপনা, সরকারগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং নিজস্ব ক্রীড়া বিধির বাস্তবায়ন আইওসি নৈতিকতা বিধির আওতার বাইরে।
ফলে অভিযোগটি আইওসি নৈতিকতা কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। এ বিষয়ে ফেয়ারস্কোয়ারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’